এ বক্ষ আমার যেন সুপ্ত আগ্নেয়গিরি
বাইরে থেকে মনে হয় প্রশান্ত ঘুমে মগ্ন
কেউতো দেখেনা ভেতরটা তার
কি দুঃসহ দহনে দগ্ধ হচ্ছে অবিরাম
হৃদপিন্ডটা জ্বালানি হয়ে জ্বলছে অনুক্ষণ
কেউতো দেখেনা সে অদৃশ্য অগ্নিশিখা।
এমনি করেই একদিন
হয়ত টুটবে তন্দ্রা তার
সেদিন দেখবে সবাই এ বুকের জ্বালামখে
হৃৎপন্ডিটা লাভা হয়ে ছিটকে যাবে চতুর্দিক
ছোপ ছোপ রক্তপিন্ড
হয়ত অজান্তে বেরুবে সেদিন একফোটা দীর্ঘশ্বাস
এটুকুই পাওনা আমার মানুষের কাছে।
——————
বাকৃবি। ৭/১/১৯৯৪