কী ভয়ংকর নির্মম ছবিটা!
এরচেয়েও শতগুণ নির্মম ছবিও দেখেছি যদিও
যতবার চোখে পড়ে ঝটপট চোখ সরিয়ে নিতে হয়
পর্যাপ্ত আলোতেও ঝাপসা হয়ে আসে দৃষ্টি
দেখা যায়না কিছুতেই এমন দৃশ্য।
মন ছুটে যায় জুলাই-আগস্টের উত্তাল দিনগুলোতে
কী আবেগ! উদ্বেগ, উৎকন্ঠা নিয়ে
আমরা আধমরা বুড়োরা বদ্ধ ঘরে
ভিপিএন-পথে ইউটিউব, ফেসবুক, টুইটার
কদাচিৎ টিভি স্ক্রিনও চষে বেড়িয়েছি
কী হচ্ছে সেই সত্যটুকু জানতে।
কিন্তু জালিমশাহী আর তদীয় তাবেদার মিডিয়া তখন
মিথ্যের আবরণে সত্য গোপনে তৎপর।
চারিদিকে যত মানুষরূপী অমানুষের ভীরে
কী মানবিক রিক্সাচালক মানুষটা
একটা তাজা প্রাণ বাচাতে ছুটেছে নিরন্তর
হাসপাতাল থেকে হাসপাতালান্তরে
হৃদয়হীন ভীরু স্বার্থপর মানুষের দ্বারে দ্বারে।
কিন্তু না ‘এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রাণ
মরণে তাহাই তুমি করে গেলে দান”।
অথচ বয়ান তৈরি হয়,
ওরা নাকি ‘নাশকতাকারী, দুর্বৃত্ত’!
“পুলিশের গুলিতে কেউ নয়, নিজেরাই মরেছে সব
উল্টো নাকি ওরাই মেরেছে
তিন হাজারের বেশি পুলিশ!
এসব মিথ্যে বয়ানের রাজনীতির বেসাতি সাজায়
ক্ষমতার মধুলোভী স্বার্থান্ধ ধূর্ত এলিটদের দল
আর স্বাধীন দেশে প্রজারূপী আমজনতা
সে খেলার পুতুল হয়ে নাচি অনন্তকাল।
এ খেলার শেষ নেই কিছুতেই?
————————–
ময়মনসিংহ। ২০/১১/২৪