এসব নিয়ে ভাবার সময় কই ভাবুক মহলের।
কোটি আমজনতার বুভুক্ষু ঢাউস উদর পূর্তি করে
মস্তিষ্ক শীতল রাখার উপায় খুজতেই উনারা গলধঘর্ম
যাতে বিক্ষোভে না উলটে যায় ক্ষমতার গদি।
তার জন্য চাই ভরপেট হাইব্রিড চালের মোটা ভাত
আর সাথে টুকরো খানেক পাঙ্গাস-তেলাপিয়া-পোল্ট্রি
অথবা আলুভর্তা, ডাল, আর কিছু শাকসব্জি, ব্যস।
এজন্য সব বিদেশি না হলে যে চলেনা কিছুতেই
কারণ দেশি মানুষের ফলন বেশি হলেও
দেশি ধান, শাকসব্জী, ফলমূল, তেল, ডাল
গরু, ছাগল, হাস, মুরগী, মাছ, গাছ
কোন কিছুরই ফলন বেশি নয়।
স্বাদ? পুষ্টিমান? কিংবা মাটি, পানি, পরিবেশ?
ওসব গোল্লায় যাক সমস্যা নেই কোন
রাসায়নিক সার, বালাইনাশক বিষ
এসবে সমস্যা?
আরে ভাই, জন্মালে মরিতেই হবে একদিন
সুতরাং খেয়ে মরাই ভালো নয়?
বীজ আর খাদ্যের রাজনীতির কথা ভাবছেন?
ভাবছেন একদা খাদ্য হয়ে উঠতে পারে যুদ্ধাস্ত্র?
আরে দূর! এসব আতেল ভাবনা ছাড়েন।
কি বলছেন? যদি কখনো কোন ছলে
বিদেশি বীজ আসা বন্ধ হয় তখন কী হবে?
আরে ভাই, তখনকার কথা তখন ভাবা যাবে
আগেতো আমাদের উদর পূর্তি করি,
নবাগত, আনাগত প্রজন্মের কথা ভাবছেন?
কিংবা জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতের কথা?
দূর! আপনি কি জানেন চাল উৎপাদনে
বিশ্বে আমাদের অবস্থান কততম?
আম, কাঠাল আর মাছ উৎপাদনে?
এসব কার অবদান?
সেসব নিয়ে ভাবুন মশাই।
——————————
ময়মনসিংহ। ২৩/১০/২৫